Home : Sonaly Khobor : কাউন্দিয়া ইউনিয়নে সরকারী মাটি বিক্রয়ের অভিযোগ চেয়ারম্যান-মেম্বারের বিরুদ্ধে

কাউন্দিয়া ইউনিয়নে সরকারী মাটি বিক্রয়ের অভিযোগ চেয়ারম্যান-মেম্বারের বিরুদ্ধে

রাজধানীর নিকটবর্তী সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন এলাকাটি খাল ও নদী বেষ্টিত অত্র এলাকায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি হাউজিং প্রকল্প যাহার নেই কোন বৈধ অনুমোদন।

কৃষি জমির উপরে গড়ে উঠে এই সকল হাউজিং প্রকল্প, এই সকল হাউজিং প্রকল্পের আসে পাশে বহমান ছিল অনেক খাল, যাহা বর্তমানে বালু ভরাটে বিলিন। বালু ভরাটের তথ্য চিত্র সংগ্রহ কালে প্রতিবেদক দেখতে পান প্রতিটি খালের ৯০% বালু দিয়ে ভরাট হয়ে আছে যাহা আসছে বর্ষায় সম্পুর্ন ভরাট হয়ে যাবে। উত্তর কাউন্দিয়ার ১নং ওয়ার্ডের একটি বদ্ধ্য খালে একটি ভ্যেকু দেখিয়া কৌতহল বশত প্রতিবেদক গিয়ে জানতে পারেন যে, এই ভ্যেকু দ্বারা খাল খনন করা হচ্ছে। এই খাল খননের বিষয়ে এলাকা বাসির কাছে জানতে চাইলে, নাম না বলার শর্তে কাউন্দিয়া ইউনিয়ন বাসিন্দা তিনি আমাদেরকে বলেন। এই ১নং ওয়ার্ড এলাকাটি হলো আফাছ উদ্দিন মেম্বারের অধীনে, কিন্তু অত্র ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের অহিদ মেম্বার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ও

তার বাহিনীর যোগসাজসে সরকারী জমি ও খালের মাটি দিয়ে রাস্তা নির্মানের নামে পার্শ্ববর্তী জমির মালিকদের নিকট দুই লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করেন। আরো জানতে পারা যায় যে, ৪নং ওয়ার্ডের এ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন গং দের কৃষি জমি ভরাট করনের জন্য ৫০লক্ষ টাকা চুক্তি করে ১০লক্ষ টাকা অগ্রীম গ্রহন করে চেয়ারম্যান, ৪নং ওয়ার্ডের অহিদ মেম্বার ও তার বাহিনী । এই বিষয় চেয়ারম্যানের নিকট জানতে চাইলে, তিনি বিষটি অশ্মিকার করেন, এবং ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বারের সাথে কথা বলতে বলেন।

 

 

 

 

 

 

 

৪নং ওয়ার্ডের অহিদ মেম্বারের নিকট এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাদেরকে জানান আমি কেবল মাত্র জমির মালিকদের থেকে একলক্ষ পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছি। তাহার নিকট সরকারী জমি ও খালের মাটি কাটার অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি চেয়ারম্যানের মৌখিক অনুমতির কথা জানান। পরবর্তীতে চেয়ারম্যানের নিকট মেম্বারের মৌখিক অনুমতির কথা জানতে চাইলে তিনি তাহা অশ্মিকার করেন। পর্ব -১

About struggle

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*