Home : প্রচ্ছদ : করোনার ক্রান্তিলগ্নে ত্রাণ সুষম বন্টনের স্বার্থে মহিলা কাউন্সিলরদের বিশেষ আবেদন

করোনার ক্রান্তিলগ্নে ত্রাণ সুষম বন্টনের স্বার্থে মহিলা কাউন্সিলরদের বিশেষ আবেদন

টাফ রিপোর্টার ঃ বৈশ্বিক মহামারীর কারণে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। এমন পরিস্থিতিতে রমজান আসায় বাংলাদেশের মানুষেরা আরো দুর্দশাগ্রস্ত। সরকার থেকে ইতিমধ্যে অসহায় মানুষদের কে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বা ত্রাণ সামগ্রী। প্রায়ই ক্ষেত্রে এসব সঠিক মানুষের হাতে না পড়াতে এগুলো হচ্ছে হরিলুট। তবে সচেতন মহলের ভাষ্য- ইতিমধ্যে যারা নিজ তহবিল থেকে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদেরকে যদি এই বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হতো, তাহলে বিতরণ অনেক সফল হতো। কারণ, তারা নিজেরাই নিজেদের তহবিল থেকে দান করছে। তাই সরকার থেকে তাদের বন্টনের দায়িত্ব দিলে, তারা আরো বেশি করে এগুলো গরীবদের মাঝে প্রদান করত। কিন্তু শুধুমাত্র বিশেষ কিছু বিবেচনায় দেওয়াতে অনেক ক্ষেত্রে বিতর্কিত ব্যক্তির হাতে চলে যাচ্ছে এসব। যার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত এসব উপহার। এদিকে, দারুসসালাম এলাকার মহিলা কাউন্সিলর রাজিয়া সুলতানা ইতি নিজ উদ্যোগে বরাবরই গরিবদের পাশে রয়েছেন। এই কাউন্সিলর সম্বন্ধে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সরকারি কোন ত্রান সেভাবে না পাওয়ার পরেও শুধুমাত্র নিজের চেষ্টা বলে গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে রয়েছে অতি আন্তরিকতা ও মমতার সাথে। অত্র এলাকার বেশ কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আমাদের সব সময়ের সুখ-দুঃখের সাথী ইতি আপা যেভাবে আমাদের পাশে আছে, তা সত্যি আমাদের জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক। তাই আমাদের দাবী – এমন মানুষদের হাতে ত্রাণ দেওয়া হোক, যারা আগে থেকেই গরীব দুঃখীদের মাঝে রয়েছেন সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে। এদিকে, কাউন্সিলর রাজিয়া সুলতানা ইতি এর সাথে কথা বললে, তিনি জানান- সরকার থেকে ত্রান পেলাম কি পেলাম না এটা বড় কথা নয় ; বড় কথা গরিবদের পাশে ছিলাম, আছি- থাকবো ইনশাআল্লাহ। তবে হ্যাঁ জনগণ যেহেতু আমাকে ভোট দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত করেছেন । তাই অত্র এলাকার মানুষের চাহিদা আমার প্রতি থাকে একটু বেশি। যদিও এই ক্রান্তিকালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে চেষ্টা করে যাচ্ছি তাদের পাশে থাকতে। সরকারি কোন ত্রাণ মহিলা কাউন্সিলরেরা সেভাবে না পাওয়াতে আমি নিজে যেমন বিব্রত হচ্ছি, তেমন হাস্যরসের পাত্র হচ্ছি আমার কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের নিকটে। তবে এই মুহূর্তে একটাই আশা -মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত উপহারগুলো যেন সুষম বন্টন হয়। এদিকে, সিটি কর্পোরেশন ২০০৮ এর গেজেটটি দ্রুত পরিবর্তিত করে আমাদের জনগণের আরো বেশি পাশে থাকার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। তবে আমার ও সকলের প্রত্যাশা পূরণ হবে, সাথে সাথে আমার প্রাণপ্রিয় জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সফলতা আসবে। এদিকে, ঢাকা উত্তর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর বেশিরভাগ মহিলা কাউন্সিলর সিটি কর্পোরেশন গেজেট ২০০৮ গেজেট পরিবর্তনের পক্ষে। কারণ, তারা তিনটি ওয়ার্ডের কষ্ট করে জনগণের ভালোবাসা নিয়ে পাস করেন কিন্তু তারা সেভাবে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হয়ে উঠতে পারেন না। এছড়া গেজেট পরিবর্তন সময় সাপেক্ষে হলেও বিশেষ করে এই করোনার ক্রান্তিকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষভাবে যাতে এই মহিলা কাউন্সিলরদের প্রতি নজর দেয়, সেই কামনা করেছেন নির্বাচিত মহিলা কাউন্সিলর বৃন্দরা।

About struggle

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*