Home : Sonaly Khobor : দিল্লিতে ফের করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক, জীবাণুমুক্ত করতে বন্ধ করা হল ক্যানসার হাসপাতাল

দিল্লিতে ফের করোনা আক্রান্ত চিকিৎসক, জীবাণুমুক্ত করতে বন্ধ করা হল ক্যানসার হাসপাতাল

দিল্লিতে ফের করোনায় আক্রান্ত এক চিকিৎসক। আতঙ্কে বন্ধ করে দেওয়া হল  অন্যতম ব্যস্ত স্টেট ক্যানসার ইনস্টিটিউট। এই হাসপাতালেরই চিকিৎসকের শরীরে করোনার নমুনা মেলায় তড়িঘড়ি হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। হাসপাতালটিকে জীবাণুমুক্ত করতে বহির্বিভাগ-সহ গোটা হাসপাতালটিকেও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে একদিনের জন্য। উক্ত চিকিৎসকের সংস্পর্ষে আসা সকল ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

চিকিৎসা করতে গিয়ে জানা যায় আক্রান্ত চিকিৎসকের এক আত্মীয় বেশ কয়েকদিন আগে বিলেত থেকে দেশে ফেরেন তার থেকেই চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন বলে অনুমান করা হয়। দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন জানান, “অনুমান করা হচ্ছে, এই চিকিৎসক তাঁর বিলেত ফেরত ভাই ও তাঁর স্ত্রীয়ের থেকেই সংক্রমিত হয়েছেন। জানা গেছে, সম্প্রতি চিকিৎসকের এই বিলেত ফেরত আত্মীয়রা তাঁর বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলেন।” হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাসপাতাল ভবনের ওপিডি, অফিস এবং ল্যাবগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সব জায়গা বিশেষ ভাবে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই যাঁরা ওই করোনা আক্রান্ত চিকিৎসকের সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে জানা গেছে, তাঁদেরও অন্যদের থেকে আইসোলেট করে রাখা হচ্ছে।

দিল্লিতে এপর্যন্ত ১২০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গিয়েছেন ২ জন। কয়েক দিন আগে উত্তর-পূর্ব দিল্লির বাবরপুর এলাকার এক ক্লিনিকের চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তার আগে পর্যন্ত যাঁরা তাঁর কাছে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই চিকিৎসক সম্প্রতি বিদেশে গিয়েছিলেন, নাকি বিদেশ থেকে আসা কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। তার আগে বাবরপুর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে মউজপুরে এক মহল্লা ক্লিনিকের চিকিৎসক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। সেই চিকিৎসকের স্ত্রী ও মেয়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এই খবর পাওয়ার পরেই ওই চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসা ৯০০ রোগীকে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে নিজামুদ্দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় মঙ্গলবারই নতুন করে ২৪জনের শরীরে করোনার নমুনা মেলে। টানা ৩৬ ঘণ্টা অপারেশনে আজ সেই বিল্ডিং থেকে ২৩০০’এর বেশি মানুষকে বের করে আনল দিল্লি পুলিশ। এদের মধ্যে ছ’শোরও বেশি মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য।বাকিদের পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টাইনে। তবে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া মানুষদের থেকে আরও কতজন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাবে তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে সকলের।

সূত্র:সংবাদ প্রতিদিন

About struggle

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*