প্রধান মেনু

মার্চ, ২০১৯

 

শিক্ষার আধুনিকতায় মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজ

আবুবকর সিদ্দিক জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলাকে বিভক্ত করে নতুন একটি উপজেলার যোগ করা হয় যার নাম ধনবাড়ি উপজেলা। নতুন করে নামকরণ পাওয়া ধনবাড়ি উপজেলাটি যেন নতুনত্বের ছোঁয়ায় সধা  বিরাজমান। নতুন কিছু গড়ে তুলে জনগণের উপকার করাই যেন মানবসেবিদের স্বপ্ন। আর এই নতুন নামকরণ পাওয়া ধনবাড়ি উপজেলাতে সরজমিনে সন্ধান মিলে এমনি এক ব্যাক্তিত্বপূর্ন ত্যাগী মানবসেবির। যার কৃতিত্বে ¤øান হয়ে আছে যেন, পুরো ধনবাড়ি উপজেলার সাধারণ মাটি ও মানুষের আত্মকথা। বলতে গিয়ে প্রথমেই আসে যে মানুষটির কথা, তার চিন্তা- চেতনায় ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলশ্রæতিতে কৃষি নির্ভর ধনবাড়ি উপজেলা আজ কৃষিতে স্বয়ং-সম্পূর্ন। সেই মানুষটিকে নিয়ে ধনবাড়ি উপজেলার তথা টাঙ্গাইল জেলাবাসি যেন শুধু নতুনত্বের এক একটি গল্পের সুতোয় গাঁথা মর্মস্পর্শী গল্পের কাহিনী শুনাতে ব্যাকুল প্রায়। গল্পের শিরোনামে প্রথমেই দেখা মিলে ধনবাড়ি উপজেলায় মুশুদ্দি বাজারে পৌছানোর আগমুহুর্তেই হাতের ডানে ৪ একর ৫০ শতক , আনুমানিক ১৫ বিঘা জমির উপর নির্মিত হচ্ছে মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ডঃ আব্দুর রাজ্জাক ভোলা এম পি। কলেজে প্রবেশের আগ মুহুর্তেই কথা হয় হাজী মোঃ আলমগীর হোসেন এর সাথে তিনি তার দীর্ঘ দিনের ইচ্ছার বর্হিপ্রকাশ থেকে বলেন ধনবাড়ি উপজেলাটিতে এলাকার জনসাধারণের সুবিধার্থে মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠানটি যেন অন্ধকারে আলোর প্রদীপ শিখার ন্যায় দীর্ঘ প্রতিক্ষিত আশার বাস্তবায়িত রূপ রেখা। কলেজটিকে ঘিরে এলাকার সকলের মুখে মুখে প্রশংসার যেন রেশ কাটতেই চায় না। এখানেই নেতার পরিচয় মিলে জনবান্ধব নেতৃত্বের সর্ব গুনে গুনাম্বিত জনগণের সাথে যার নিবিড় সুসম্পর্ক , যাকে নিয়ে এলাবাসী প্রশংসিত এবং টাঙ্গাইল জেলা বাসির গর্ভ। কলেজের ভেতরে প্রবেশ করেই কথা হয় মোঃ রুহুল আমিন প্রভাষক আইসিটি মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজ, কলেজের অধ্যক্ষ জনাব কেশভ চন্দ্র দাস্ শারীরিক অসুস্থ থাকায় মোঃ রুহুল আমিন প্রভাষক এর সাথে বিস্তারিত আলাপ হয়। বিশাল আকৃতির লিফ্ট সুবিধা, গাড়ি পার্কিং ও বিশাল হলরুমের ব্যবস্থাসহ কলেজের কাজ সম্পুর্ন হতে আরও প্রায় ৬ মাসের মত সময় লাগবে , ৬-তলা বিশিষ্ট ভবন এরই মধ্যে ৩-তলা পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে পাঠদান নিয়মিত চলছে। এছাড়াও নিয়মিত শ্রেণীকক্ষ পরিচালনার জন্য আছে সুবিশাল লম্বা আকৃতির টিনশেড ভবন। কলেজের শিক্ষার মান সম্পর্কে জানতে চাইলে রুহুল আমিন প্রভাষক বলেন আমাদের কলেজ থেকে প্রথম এ্যাটেন্ড পরিক্ষাতেই আমরা ধনবাড়ি উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি, আর দ্বিতীয় স্থানে ধনবাড়ি উপজেলা সরকারী কলেজ। মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজ থেকে ১০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রথম শিক্ষা বর্ষেই উত্তীর্ন হয় ৪৬ জন এবং পাশের হার ৪৪.২৩%। যেসকল শিক্ষার্থী পাশ করে বের হয়েছে তাদের অনেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহনের সুযোগ পেয়েছে। মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা মোট- ৫২৩ জন, ১ম শিক্ষাবর্ষে ২৫৪ জন ও ২য় শিক্ষাবর্ষে ২৬৯ জন। মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজের পাঠদান সকাল ১০ টা থেকে শুরু হলেও ইংরেজী বিষয়ের উপর শিক্ষাগ্রহনের সুবিধার্থে ৯-৯.৫০ পর্যন্ত ইংরেজী বিষয়ের উপর ব্যাবস্থা করা হয়েছে অতিরিক্ত পাঠদানের। প্রতিটি শ্রেণীকক্ষ পরিদর্শনে চোখে পড়ে কম্পিউটার পাঠদানের জন্য রুম ভর্তি কম্পিউটারে সাঁজানো কম্পিউটার পাঠদানরুম। ২০১৫ সনে কলেজটি স্থাপিত হলেও কমতি নেই ছাত্র ছাত্রীর, পিছিয়ে নেই শিক্ষার মানের দিক দিয়ে, বিশেষ করে এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মান উন্নয়নে ব্যপক সুবিধা বিরাজ করছে মুশুদ্দি রেজিয়া কলেজটি এতে এলাকা হয়ে উঠেছে শিক্ষাবান্ধব। দূরবর্তী ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য আছে কুয়াটারের সুব্যবস্থা। প্রতিষ্ঠাতার এলাকার উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে, রুহুল আমিন প্রভাষক বলেন প্রতিষ্ঠাতার এলাকাবাসীর জন্য স্বপ্ন হচ্ছে সমগ্র বাংলাদেশে একটি মডেল কলেজ হিসেবে গড়ে তোলা ও ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট এ রুপান্তরিত করা এবং সাধারণ এলাকাবাসীর চিকিৎসার সুব্যবস্থার জন্য কলেজ সংলগ্ন একটি হাসপাতাল গড়ে তোলা।


পাবনার আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে কৃতিত্ব এসপি রফিকুলের

মনিরুজ্জামান : বাংলাদেশের স্থপতি উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা গণতন্ত্রের মানস কন্যা কওমি জননী ডিজিটাল বাংলার রূপকার আইন-শৃঙ্খলা বান্ধব  সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধান তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পরই জাতির স্বার্থে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দাঁড় করা বার লক্ষ্যে মাদক  সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রধান করে  বলেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। দেশ ও জাতিকে সুসংগঠিত জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বিশেষ ভূমিকা বিদ্যমান রয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী সা¤প্রতিক প্রশংসিত কর্ম সম্পাদনের মাধ্যমে দেশের গÐি পেরিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশে তাদের কর্তব্য  পালনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গৌরব উজ্জ্বল সাধিত হয়েছে। পরিলক্ষিত হয়েছে পুলিশ বাহিনীর সদস্য বিসিএস পুলিশ ক্যাডার এসপি পাবনা রফিকুল ইসলামের কৃতিত্বের কথা। পুলিশ সুপার  রফিকুল ইসলাম বৃহত্তর গোপালগঞ্জ জেলায় মুসলিম এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্র হিসেবে ছিলেন তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও মিষ্টি ভাষী, পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।   বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করে  বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে  জনগণের সেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করেন। এসপি রফিকুল ইসলাম পূর্বের কর্ম স্থল নরসিংদীর পুলিশ সুপার ও পুলিশ সদর দপ্তরে এআইজি হিসাবে কর্তব্যরত দায়িত্ব সততা সাথে পালন করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ফলে কর্তৃপক্ষ তাকে পুলিশ সুপার হিসেবে পাবনা জেলার দায়িত্ব দেন। পাবনা জেলায় যোগদান করে মাদক সন্ত্রাস জঙ্গি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করে বলেন এই জেলায় কোন ধরনের মাদক জঙ্গির ঠাঁই হবে না তারা যত বড় শক্তিশালীই হোক না কেন কঠোর হাতে দমন করা হবে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন থানা হচ্ছে জনগণের আস্থার প্রতীক বিভিন্ন  প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে কাংখিত সেবা পেতে সাধারণ জনগণ থানায় উপস্থিত হয় একমাত্র সেবা পাওয়ার জন্য। কিন্তু সেই সেবা পাওয়া থেকে যদি কোন জনগণ বিড়ম্বনার শিকার হয় কিংবা সেবা দেওয়ার নামে ঘুষ বাণিজ্য লেনদেন সহ কোন পুলিশ সদস্য জড়িয়ে পড়লে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অনুসন্ধানে জানা যায় পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম পাবনা বাসীর কাছে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম।